জীবননগর ধোপাখালী গ্রামে তরিকাপন্থি গুরুর হাত ধরে পালিয়েছে কলেজ ছাত্রী শিষ্য মালা

প্রেমে মজেছে মন কে বা হাড়ি কে বা ডোম

জীবননগর অফিস:-

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার ধোপাখালী ব্রিজপাড়ায় এক কলেজ ছাত্রী তরিকাপন্থি এক গুরুর নিকট বায়াত হওয়ার বছর খানেকের মাথায় প্রেমে টানে গুরুর হাত ধরে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছে। ঘটনাটি গত ১৮ নভেম্বর সকালের দিকে কলেজ এলাকা থেকে উধাও হয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা  হয়েছে। এলাকায় মুখে মুখে রটে গেছে গুরু-শিষ্য মালা-আয়ুবের প্রেম কাহিনী।  

স্থানীয় সুত্র জানায়,চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কেদারনগরের হাসিবুল হক চিশতির শিষ্য হিসাবে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ভুলটিয়া গ্রামের আয়ুব আলী(৭০) জীবননগর উপজেলায় তরিকার কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পান। তিনি প্রায় দু’বছর ধরে জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে হাসিবুল হক চিশতির ভক্তবৃন্দদের সাথে কাজ করে আসছেন। এ অবস্থায় ধোপাখালী গ্রামের ইসরাফিল হোসেনের মেয়ে জীবননগর আদর্শ সরকার মহিলা ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী মালা খাতুনের(১৮) সাথে অসম প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। তাদের গোপন প্রেমের এক পর্যায়ে তারা পরিবারকে গোপন করে গত ১৮ নভেম্বর গোপন ঠিকানায় পাড়ি জমায়। পরিবারের লোকজন হন্যে হয়ে খুঁজে না পেয়ে অবশেষে ঘটনার ব্যাপারে থানায় একটি মামলা করেন পরিবার। জানা যায়,মালা খাতুন ঘটনার দিন বাড়ী থেকে কলেজে যাওয়ার কথা বলে বের হয়। পরে জীবননগর থানা পুলিশ তাদেরকে ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু থেকে বৃহস্পতিবার উদ্ধার করেন এবং আদালতে সোপর্দ করেন।

মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার দোজাউদ্দিন বলেন,মেয়েটি(মালা খাতুন) তার বাবা-মায়ের বাড়ীতে ফিরে আসেনি। শুনেছি তারা একে অপরকে বিয়ে করেছে এবং আদালত থেকে তার গুরু নামধারী স্বামী আয়ুব ফকিরের সাথে চলে গেছে।

জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মামুন হোসেন বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,আয়ুব ফকির ও ভিকটিম মালাকে হরিনাকুন্ডু থেকে উদ্ধারের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়। ভিকটিম মালা খাতুন সাবালিকা হওয়ায় সে তার গুরু আয়ুব ফকিরের সাথেই চলে গেছে। তারা একে অপরকে বিয়ে করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *