জীবননগর অফিস:
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের মমিনপুর মাঠে রাতের আঁধারে কৃষি জমির মাটি কেটে ভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাঁকা গ্রামের ট্রাক্টরচালক মিলন ও তার সহযোগীরা জড়িত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,হাসাদহ ইউনিয়নের মাধবপুর বিসিকেএমপি মাধ্যমিক বিদ্যালয়পাড়া এলাকার খবির উদ্দিনের মমিনপুর মাঠে প্রায় ১৫ কাঠা কৃষিজমি রয়েছে। ওই জমিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কলা, আলুসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ করে আসছেন। বর্তমানে জমিতে কলাগাছ রোপণ করা রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, পাশ্ববর্তী ইউনিয়নের বাঁকা গ্রামের ট্রাক্টরচালক মিলন জমির মালিক খবির উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জমির মাটি কাটার কাজ শুরু করেন। প্রথমে জমি সমান করার অজুহাতে এক থেকে দুই ফুট মাটি কাটার কথা বলা হলেও বাস্তবে রাতের আঁধারে অতিরিক্ত শ্রমিক এনে তিন থেকে চার ফুট গভীর করে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে।
পাশের জমির কৃষকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, খবির উদ্দিনের জমির পাশে তাদের আলুসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ রয়েছে। এভাবে গভীর করে মাটি কাটার ফলে পাশের জমিগুলো ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে ফসল ও জমির মারাত্মক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ বিষয়ে জমির মালিক খবির উদ্দিন বলেন, মমিনপুর মাঠে আমার ১৫ কাঠা জমি আছে। এক পাশ কিছুটা উঁচু হওয়ায় জমি সমান করার জন্য ট্রাক্টরচালক মিলনের সঙ্গে এক থেকে দুই ফুট মাটি কাটার কথা হয়েছিল। কিন্তু সে সুযোগ নিয়ে রাতে এসে তিন থেকে চার ফুট গভীর করে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। আমি নিষেধ করলেও সে কোনো কথা শুনছে না। তিনি আরও বলেন,অতিরিক্ত মাটি কাটার কারণে ভবিষ্যতে আশপাশের জমিগুলো মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধ করা এবং অভিযুক্ত ট্রাক্টরচালক মিলনসহ সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
কৃষকরা জীবননগর উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে কৃষি জমি রক্ষা পায় এবং পরিবেশ ও কৃষি উৎপাদনের কোনো ক্ষতি না হয়।
এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিসার আলমগীর হোসেন বলেন,এভাবে কৃষি জমির টপ সয়েল কেটে নেওয়া হলে জমির উর্বরতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল আমীন বলেন,ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের মমিনপুর মাঠে রাতের আঁধারে কৃষি জমির মাটি কেটে ভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাঁকা গ্রামের ট্রাক্টরচালক মিলন ও তার সহযোগীরা জড়িত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,হাসাদহ ইউনিয়নের মাধবপুর বিসিকেএমপি মাধ্যমিক বিদ্যালয়পাড়া এলাকার খবির উদ্দিনের মমিনপুর মাঠে প্রায় ১৫ কাঠা কৃষিজমি রয়েছে। ওই জমিতে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কলা, আলুসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ করে আসছেন। বর্তমানে জমিতে কলাগাছ রোপণ করা রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, পাশ্ববর্তী ইউনিয়নের বাঁকা গ্রামের ট্রাক্টরচালক মিলন জমির মালিক খবির উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জমির মাটি কাটার কাজ শুরু করেন। প্রথমে জমি সমান করার অজুহাতে এক থেকে দুই ফুট মাটি কাটার কথা বলা হলেও বাস্তবে রাতের আঁধারে অতিরিক্ত শ্রমিক এনে তিন থেকে চার ফুট গভীর করে মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে।
পাশের জমির কৃষকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, খবির উদ্দিনের জমির পাশে তাদের আলুসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ রয়েছে। এভাবে গভীর করে মাটি কাটার ফলে পাশের জমিগুলো ধসে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে ফসল ও জমির মারাত্মক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।
এ বিষয়ে জমির মালিক খবির উদ্দিন বলেন, মমিনপুর মাঠে আমার ১৫ কাঠা জমি আছে। এক পাশ কিছুটা উঁচু হওয়ায় জমি সমান করার জন্য ট্রাক্টরচালক মিলনের সঙ্গে এক থেকে দুই ফুট মাটি কাটার কথা হয়েছিল। কিন্তু সে সুযোগ নিয়ে রাতে এসে তিন থেকে চার ফুট গভীর করে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। আমি নিষেধ করলেও সে কোনো কথা শুনছে না। তিনি আরও বলেন,অতিরিক্ত মাটি কাটার কারণে ভবিষ্যতে আশপাশের জমিগুলো মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
এ ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধ করা এবং অভিযুক্ত ট্রাক্টরচালক মিলনসহ সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
কৃষকরা জীবননগর উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে কৃষি জমি রক্ষা পায় এবং পরিবেশ ও কৃষি উৎপাদনের কোনো ক্ষতি না হয়।
এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিসার আলমগীর হোসেন বলেন,এভাবে কৃষি জমির টপ সয়েল কেটে নেওয়া হলে জমির উর্বরতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল আমীন বলেন,ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।