জীবননগর অফিস:
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার তেতুলিয়া সড়কের বিজিবির মাদক বিরোধী অভিযানে এক হাজার ১৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ঘটনার সাথে জড়িত দুই মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছেন। ঘটনাটি রোববার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে সংঘটিত হয়েছে। এ ঘটনায় জীবননগর থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬.৫৫ মিনিটের মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)-এর অধীনস্থ জীবননগর বিওপি দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় একটি সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। সীমান্ত পিলার ৬৯/৭-এস হতে অনুমান ৪.৫ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জীবননগর উপজেলা শহরের তেতুলিয়া গ্রামের পাকা রাস্তার ওপর এ অভিযান পরিচালিত হয়।
হাবিলদার মোঃ নাসির হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করে তল্লাশি চালান। এসময় বিজিবি সদস্যরা তাদের নিকট থেকে আটককৃত ইয়াবা উদ্ধার করেন। আটককৃতরা হলেন-
জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়নের খয়েরহুদা গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে সাগর হোসেন এবং জীবননগর হাসপাতালপাড়ার আজিজুল হকের ছেলে সুমন ইসলাম।
বিজিবি সদস্যরা তাদের হেফাজত থেকে ১১৫০ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক কারবারে ব্যবহৃত ৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা মাদক পাচারের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বলে জানায়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও মোবাইল ফোনসহ আটক দুই আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জীবননগর থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন ৫৮ বিজিব’র সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান এক বার্তায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও মাদকসহ সকল প্রকার অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে থাকবে।
উল্লেখ্য,বিজিবি সম্প্রতি প্রায় দিনই সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদকের বিভিন্ন চালান ও জড়িত মাদক কারবারীদেরকে আটক করছেন। তবে সচেতন নাগরিক সমাজের দাবি মাদকের চালান আটকের পাশাপাশি মাদক কারবারীদেরকে আটক করা গেলে মাদকের সহজলভ্যতা অনেকাংশে কমে আসবে।