নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা ঝিনাইদহের বিভিন্ন স্থানে হামলা সংঘর্ষে আহত-১৩ জন

আবু সাইদ শওকত আলী,বিশেষ প্রতিনিধি:-

ঝিনাইদহে নির্বাচন পরবর্তী পৃথক তিনটি সহিংসতায় কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুর করা হয়েছে। শুক্রবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত ঝিনাইদহ সদর ও কালীগঞ্জে এসব হামলা ও পাল্টা হামলা এবং ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। বেলা ১১টার দিকে কালীগঞ্জ শহরের নীমতলা বাসষ্ট্যান্ডের বাজার রোডে অবস্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা করে ব্যপক ভাংচুর করা হয়। এসময় খোকন, ইভন ও জবেদ আলী নামে তিন বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে জখম করে। আহত জবেদ আলীকে যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জবেদ আলী কালীগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক।
একই সময় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নলডঙ্গা ইউনিয়নের ভিটশ্বর গ্রামের ধানের শীষের সমর্থকরা কাপ-পিরিচ সমর্থকদের উপর হামলা করে। এঘটনায় আকরাম হোসেন, ফজলুর রহমান, ফারুক হোসেন, নজরুল ইসলাম ও জাফর উদ্দীন নামে পাঁচজন জখম হয়। এরমধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জখম সবাইকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে একই ইউনিয়নের খড়াশুনি গ্রামে কাপ-পিটিচের সমর্থক কওসার বিশ্বাসের উপর হামলা করে আহত করে ধানের শীষের সমর্থকরা।
এর আগে সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা বাজারের খালকুলা গ্রামে ধানের শীষ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ধানের শীষের সমর্থক রবিউল শেখ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক কাপ-পিরিচ প্রতিকের মোশারেফ শেখ ও ইব্রাহিম শেখ আহত হয়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে ঝিনাইদহের মহেশপুরে দুর্বৃত্তরা প্রেসক্লাব মহেশপুর কার্যালয় ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এদিন রাত ৯ টার দিকে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের পাশেই অবস্থিত প্রেসক্লাব মহেশপুর কার্যালয়ে এ হামলা চালানো হয়।
এসব ঘটনায় কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *