জীবননগর অফিস:
সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) পৃথক তিনটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানী ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার করেছে। এসব অভিযানে কোনো আসামীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকৃত মালামাল যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে।
প্রথম ঘটনাটি ঘটে অদ্য ১০ মার্চ সকাল ৮.৪০ ঘটিকায় মহেশপুর ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ নতুনপাড়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মেইন পিলার ৬৫/২-এস থেকে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নতুনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শহিদুল ইসলামের আম বাগানের মধ্যে হাবিলদার মাহমুদুর রশিদের নেতৃত্বে একটি মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় তল্লাশি চালিয়ে আসামীবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ৩৩ বোতল মদ এবং ১৭ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে গত ০৯ মার্চ রাত সাড়ে ৯ টার সময় মহেশপুর ব্যাটালিয়নের নিমতলা বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মেইন পিলার ৭৫/৩-এস থেকে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঈশ্বরচন্দ্রপুর গ্রামের মাঠে মোঃ লুৎফর রহমান এর কলা বাগানে নায়েব সুবেদার মোঃ উবাইদুল্লা এর নেতৃত্বে চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় আসামীবিহীন অবস্থায় ৩৬০ পিস ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব চোরাচালানী ঔষধের সিজার মূল্য এক লাখ ৮ হাজার) টাকা।
তৃতীয় ঘটনাটি ঘটে অদ্য ১০ মার্চ ভোর ৪.৪০ ঘটিকায় মহেশপুর ব্যাটালিয়নের শ্রীনাথপুর বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মেইন পিলার ৬১/৮-আর থেকে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শ্রীনাথপুর চাপাতলা গ্রামের একটি কলা বাগানে নায়েব সুবেদার রমজান আলী এর নেতৃত্বে চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় আসামীবিহীন অবস্থায় ১০০০ পিস ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত চোরাচালানী ঔষধের সিজার মূল্য ৩ লাখ টাকা।
মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) কর্তৃপক্ষ জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অবৈধ পণ্য প্রবেশ রোধে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।