আবু সাইদ শওকত আলী,বিশেষ প্রতিনিধি:
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর আমলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময়ের ঢাকার লালবাগ থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে ঢাকার একটি বিচারিক আদালত।
এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহসীন উদ্দীন শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আজ মঙ্গলবার দুপু্রে তাকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়।
কারাগারে রাখার আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, শিরীন শারমিন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আসামী জামিনে মুক্তি পেলে চিরতরে পলাতক হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এই অবস্থায় মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেল হাজতে আটকে রাখা প্রয়োজন।
পরে এই আবেদনের শুনানির সময় দুইদিন তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়। তবে, শুনানি শেষে রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে শিরীন শারমিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ই জুলাই কোটা আন্দোলন চলাকালে আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে ছাত্র-জনতার একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলে হামলার ঘটনা ঘটে, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদেশে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের পরিকল্পনা ও নির্দেশে চালানো হয়।এই মামলার তিন নম্বর আসামি হিসেবে শিরীন শারমিন চৌধুরীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে ঢাকার ধানমণ্ডি এলাকা থেকে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটক করা হয়।পরে তাকে ঢাকার মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। রিমান্ড নাকচ করে শিরীন শারমিনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।