আবু সাইদ শওকত আলী,বিশেষ প্রতিনিধি:
স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও ঝিনাইদহবাসী পাননি কোনো পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী কিংবা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ। বর্তমানে ঝিনাইদহের দুই কৃতি সন্তান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দুই পদে আসীন। একজন সরকারের মাননীয় আইনমন্ত্রী এবং অন্যজন দেশের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল। এই ‘দুই রত্ন’এর হাত ধরে ঝিনাইদহের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন জেলাবাসী।
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার ৩নং কুশনা ইউনিয়ন জলার বিল মাঠে সরকারি প্রায় ২০০ একর পরিত্যক্ত খাস জমি রয়েছে।যা পরিত্যাক্ত অবস্থায় কলমীলতা উড়ি,শোলা ধাপে পরিপূর্ণ হয়ে চাষের অযোগ্য হিসেবে পড়ে আছে। স্থানীয় সচেতন মহল এবং এলাকাবাসীর মতে, এই বিশাল পরিত্যক্ত ভূমিটি একটি আধুনিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এখানে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে একদিকে যেমন সরকারি খাস জমির সুষম ব্যবহার নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে পিছিয়ে পড়া কুশনা ইউনিয়নসহ পুরো জেলার স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত হবে।
এলাকাবাসী বলছেন,ঝিনাইদহে উন্নত চিকিৎসার অভাবে জটিল রোগীদের ঢাকা বা পার্শ্ববর্তী কুষ্টিয়া-যশোরে নিতে হয়, যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ। জলার বিল মাঠে মেডিকেল কলেজ হলে। খাস প্রায় ২০০ একর জমিতে আধুনিক ক্যাম্পাস, খেলার মাঠ ও গবেষণা কেন্দ্র করা সম্ভব। অবহেলিত কুশনা ইউনিয়নের চিত্র বদলে যাবে,সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান।
ঝিনাইদহবাসীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমাদের জেলায় যোগ্য নেতৃত্বের অভাব নেই। বর্তমান সরকারের দুই নীতিনির্ধারক আমাদের জেলার গর্ব। আমরা তাদের নিকট অন্য কিছু চাই না, কেবল পরিত্যক্ত খাস জমি ব্যবহার করে ঝিনাইদহবাসীর জন্য একটি ‘পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ’ চাই।”
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পেরিয়ে ৫৫ বছরে পা রাখা ঝিনাইদহ জেলা কি এবার তার কাঙ্ক্ষিত উপহার পাবে? জলার বিলের এই বিশাল জনপদ এখন তাকিয়ে আছে আইনমন্ত্রী ও অ্যাটর্নী জেনারেলের দিকে।