জীবননগর অফিস:
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় যৌতুকের টাকা,মোটরসাইকেল,মোবাইল ফোন না
পেয়ে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধর ও পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে মাদকাসক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গর্ভে থাকা সাত মাসের সন্তান মারা গেছে। বুধবার রাতেই অভিযুক্ত স্বামী বিপ্লব হোসেনকে(২৪) গ্রেফতার করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের কয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগে জানা যায়,কয়া গ্রামের সাহাবুলের ছেলে বিপ্লব হোসেনের (২৪) সাথে একই গ্রামের সাইফুল ইসলামের
মেয়ে শিখা খাতুনের (১৮) বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিপ্লব হোসেন বিভিন্ন সময়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক হিসেবে নগদ টাকা,মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন দাবি করে আসছিল। এসব দাবি পূরণ না হওয়ায় শিখার ওপর প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় যৌতুকের টাকা,মোটরসাইকেল,মোবাইল ফোন না
পেয়ে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধর ও পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে মাদকাসক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গর্ভে থাকা সাত মাসের সন্তান মারা গেছে। বুধবার রাতেই অভিযুক্ত স্বামী বিপ্লব হোসেনকে(২৪) গ্রেফতার করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের কয়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগে জানা যায়,কয়া গ্রামের সাহাবুলের ছেলে বিপ্লব হোসেনের (২৪) সাথে একই গ্রামের সাইফুল ইসলামের
মেয়ে শিখা খাতুনের (১৮) বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিপ্লব হোসেন বিভিন্ন সময়ে স্ত্রীর কাছে যৌতুক হিসেবে নগদ টাকা,মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন দাবি করে আসছিল। এসব দাবি পূরণ না হওয়ায় শিখার ওপর প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতো বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
এদিকে গত মঙ্গলবার (২ জুন) রাত ১০টার দিকে বিপ্লব বাজার থেকে বাড়ি ফিরে
স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে। একপর্যায়ে সে এক লাখ টাকা,
একটি মোটরসাইকেল ও একটি মোবাইল ফোন দাবি করে। এ সময় শিখা খাতুন জানায়,তার বাবা একজন দরিদ্র মানুষ এবং এত টাকা বা মূল্যবান জিনিসপত্র দেয়া
সম্ভব নয়।
এ কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে বিপ্লব স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করে এবং তার পেটে জোরে লাথি মারে বলে অভিযোগ। এতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে শিখা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার গর্ভে থাকা সাত মাসের সন্তান গর্ভপাত হয়।
ভুক্তভোগী শিখা খাতুন বলেন,আমার স্বামী আমার বাবার আর্থিক অবস্থা জেনেশুনেই আমাকে বিয়ে করেছে। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই টাকা, মোবাইল ও মোটরসাইকেলের জন্য চাপ দিতে থাকে। দাবি পূরণ করতে না পারায় আমাকে প্রায়ই মারধর করত। ঘটনার দিন পেটে লাথি মারার পর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। হাসপাতালে নেয়ার পর জানতে পারি আমার সাত মাসের সন্তান আর বেঁচে নেই। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেনবিপ্লবের বাবা সাহাবুল হোসেন। তিনি বলেন,বিপ্লব হোসেন ও তার স্ত্রী শিখা খাতুন প্রায়ই গন্ডগোল করে। তবে ঘটনার দিন মারপিট করার অভিযোগ সত্য নয়।সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার নজরুল ইসলাম বলেন,ঘটনাটি আমি শুনেছি। কেউ বলছে অত্যাচার নির্যাতনের ফলে স্ত্রীর গর্ভের সন্তান নষ্ট,হয়েছে আবার কেউ বলছে অসুস্থ্যতার কারণে সন্তান পেটেই মারা গেছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। যৌতুকের দাবিতে এমন নির্মম নির্যাতনের ঘটনায় দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসারইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, ব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামী বিপ্লব হোসেনকে রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আরো বিস্তারিত তদন্তে ওমেডিকেল রিপোর্ট পাওয়া গেলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে।
স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে। একপর্যায়ে সে এক লাখ টাকা,
একটি মোটরসাইকেল ও একটি মোবাইল ফোন দাবি করে। এ সময় শিখা খাতুন জানায়,তার বাবা একজন দরিদ্র মানুষ এবং এত টাকা বা মূল্যবান জিনিসপত্র দেয়া
সম্ভব নয়।
এ কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে বিপ্লব স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করে এবং তার পেটে জোরে লাথি মারে বলে অভিযোগ। এতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে শিখা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার গর্ভে থাকা সাত মাসের সন্তান গর্ভপাত হয়।
ভুক্তভোগী শিখা খাতুন বলেন,আমার স্বামী আমার বাবার আর্থিক অবস্থা জেনেশুনেই আমাকে বিয়ে করেছে। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই টাকা, মোবাইল ও মোটরসাইকেলের জন্য চাপ দিতে থাকে। দাবি পূরণ করতে না পারায় আমাকে প্রায়ই মারধর করত। ঘটনার দিন পেটে লাথি মারার পর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। হাসপাতালে নেয়ার পর জানতে পারি আমার সাত মাসের সন্তান আর বেঁচে নেই। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেনবিপ্লবের বাবা সাহাবুল হোসেন। তিনি বলেন,বিপ্লব হোসেন ও তার স্ত্রী শিখা খাতুন প্রায়ই গন্ডগোল করে। তবে ঘটনার দিন মারপিট করার অভিযোগ সত্য নয়।সীমান্ত ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার নজরুল ইসলাম বলেন,ঘটনাটি আমি শুনেছি। কেউ বলছে অত্যাচার নির্যাতনের ফলে স্ত্রীর গর্ভের সন্তান নষ্ট,হয়েছে আবার কেউ বলছে অসুস্থ্যতার কারণে সন্তান পেটেই মারা গেছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। যৌতুকের দাবিতে এমন নির্মম নির্যাতনের ঘটনায় দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসারইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, ব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামী বিপ্লব হোসেনকে রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আরো বিস্তারিত তদন্তে ওমেডিকেল রিপোর্ট পাওয়া গেলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে।