আবু সাইদ শওকত আলী, বিশেষ প্রতিনিধি:-
কুরআন দিবস উপলক্ষে সোমবার ফজরের নামাজের পর এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
স্থানীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক এম. আইউব। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, আরবপুর ইউনিয়ন শাখার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি কামাল হোসেন, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ,
মাওলানা রাজু আহমেদ, এবং অধ্যাপক আব্দুস সবুর।
বক্তারা বলেন, কুরআন একটি মানবতার সনদ, যা শান্তি, সহমর্মিতা ও ন্যায়বিচারের শিক্ষা দেয়।
তারা কুরআনের শিক্ষা সমাজের সকল স্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান এবং কুরআনের অপব্যাখ্যা রোধে সচেতনতা গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
কুরআন দিবসের পটভূমি
১৯৮৫ সালের ১২ এপ্রিল, ভারতের একটি আদালতে কুরআন নিষিদ্ধ চেয়ে দুই ব্যক্তি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়,
কুরআনের বাণী নাকি সহিংসতায় উসকে দেয়। এই দাবি বিশ্বব্যাপী মুসলিম সমাজে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশেও। ওই প্রেক্ষাপটে ১৯৮৫ সালের ১১ মে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার একটি ঈদগাহ ময়দানে শান্তিপূর্ণ
সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ চলাকালে পুলিশের গুলিতে আটজন মুসলমান প্রাণ হারান, যাদের অধিকাংশই ছিলেন শিক্ষার্থী।
এই করুণ ঘটনার স্মরণে প্রতিবছর ১১ মে ‘কুরআন দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে।
দিনটির তাৎপর্য হলো—কুরআনের মর্যাদা রক্ষা, এর মানবিক শিক্ষা প্রচার এবং ধর্মীয় অধিকার রক্ষায় গণসচেতনতা বৃদ্ধি করা।