জীবননগর গয়েশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের জয়লাভ

জীবননগর অফিস:-

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের গয়েশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির

অভিভাবক সদস্যদের নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত পূর্ণ প্যানেল বিপুল ভোটে জয় লাভ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে

বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে ভোটগ্রহণ। নারী-পুরুষ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার

মতো। সকাল থেকেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভোটারদের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যায়।

নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

মোট ৫১৫ জন ভোটারের মধ্যে ৪১৮ জন

ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, যা প্রায় ৮১ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি নির্দেশ করে। এর মধ্যে বৈধ

ভোটের সংখ্যা ছিল ৪০৪টি এবং ১৪টি ভোট পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।

অভিভাবক সদস্য পদে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রিজাইডিং অফিসার ও জীবননগর উপজেলা

একাডেমিক সুপারভাইজার সৈয়দ আব্দুর জব্বার।

ফলাফলে দেখা যায়,বিএনপি সমর্থিত প্যানেল

থেকে:আব্দুল. মজিদ পেয়েছেন ১৭৬ ভোট,ইমরান উদ্দিন

পেয়েছেন ২০৪ ভোট,ইসাবুল হক পেয়েছেন ২৫১ ভোট,জাকির হোসেন পেয়েছেন ২৩১ ভোট।

অন্যদিকে জামায়াত সমর্থিত প্যানেল থেকে:আবুল মজিদ পেয়েছেন ১৭৫ ভোট,কামরুজ্জামান

পেয়েছেন ৯৩ ভোট,জুয়েল রানা পেয়েছেন ১২১ ভোট,বকুল হোসেন পেয়েছেন ১৫৩ ভোট।

ভোট গণনা শেষে বিএনপি সমর্থিত প্যানেল বিপুল ভোটে জয় লাভ করে। ফলাফল ঘোষণার পর

বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিজয়ী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উল্লাস দেখা যায়।

তারা একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।জয়ী প্রার্থীরা জানান, এ জয় শুধু আমাদের নয়, অভিভাবকদের আস্থার প্রতিফলন। আমরা

বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেব।

অন্যদিকে, পরাজিত প্যানেলের নেতৃবৃন্দও ফলাফল মেনে নিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বলে মন্তব্য করেন।

নির্বাচন চলাকালীন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে জীবননগর থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করে। স্থানীয় এলাকাবাসী

জানান, গয়েশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নির্বাচনে এবারের ভোটগ্রহণ ছিল অত্যন্ত উৎসবমুখরও শান্তিপূর্ণ।

অভিভাবকদের উপস্থিতি এবং অংশগ্রহণ নির্বাচনী গণতন্ত্রের এক দৃষ্টান্ত।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *