আবু সাইদ শওকত আলী,বিশেষ প্রতিনিধি:-
মানুষের জীবন এক রহস্যময় যাত্রা। এখানে ভুল-সঠিক, ভালো-মন্দ কিংবা মঙ্গল-অমঙ্গলের সূক্ষ্ম পার্থক্য নির্ণয় করা সবসময় সহজ নয়। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বারবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন—তিনি সর্বজ্ঞ, তিনি জানেন যা মানুষ জানে না; তিনি মানুষের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সবকিছু অবগত আছেন। তাই জীবনের সঠিক পথ খুঁজে পাওয়া এবং সে পথে অবিচল থাকা প্রতিটি মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জন্মের পর একজন মানুষের ভবিষ্যৎ থাকে অনিশ্চয়তায় ঘেরা। সময়ের সাথে সাথে অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতা তাকে অনেক কিছু শেখায়, বুঝতে সাহায্য করে। কিন্তু একটি সত্য চিরন্তন—প্রতিটি মানুষকে নির্ধারিত সময় শেষে মৃত্যুবরণ করে সৃষ্টিকর্তার কাছেই ফিরে যেতে হবে। এ সত্য জানার পরও মানুষ অনেক সময় দুনিয়ার মোহে পড়ে অনন্ত জীবনের স্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ে, ভুলে যায় তার চূড়ান্ত গন্তব্যের কথা।
এই বাস্তবতাকে হৃদয়ে ধারণ করেই এ্যাডভোকেট আলমামুন নিজের জীবন ও পেশাকে গড়ে তুলছেন ন্যায়, সততা ও মানবিকতার আলোকে। আইন পেশায় তার পথচলা শুধু পেশাগত সফলতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যই তাকে অনুপ্রাণিত করে।
তিনি বিশ্বাস করেন, একজন আইনজীবীর দায়িত্ব শুধু আদালতের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়—বরং সমাজে ন্যায় ও নৈতিকতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াও তার অন্যতম কর্তব্য। তার এই দৃষ্টিভঙ্গি ইতোমধ্যে তাকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন—
“যে কেউ সৎকর্ম করবে—পুরুষ হোক বা নারী—যদি সে মুমিন হয়, তবে আমি তাকে নিশ্চয়ই আনন্দময় জীবন দান করব এবং তাদের কর্মের শ্রেষ্ঠ প্রতিদান দেব।” (সূরা নাহল: ৯৭)
আরও বলা হয়েছে—
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের সঙ্গেই আছেন, যারা পরহেজগার এবং সৎকর্মপরায়ণ।” (সূরা নাহল: ১২৮)
এই বাণীগুলোকে ধারণ করেই এ্যাডভোকেট আলমামুন এগিয়ে চলেছেন তার পেশাগত জীবনে। তার মতে, ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার চেয়ে চিরস্থায়ী পরকালকে গুরুত্ব দিয়ে সৎপথে চলাই মানুষের প্রকৃত সফলতা।
শেষ পর্যন্ত জীবন আমাদের এক অবধারিত গন্তব্যের দিকে নিয়ে যায়। তাই আসুন, আমরা সবাই সত্য, ন্যায় ও শান্তির পথে চলার অঙ্গীকার করি—যাতে জীবনের শেষে অনুশোচনা নয়, বরং সন্তুষ্টি নিয়েই সৃষ্টিকর্তার কাছে ফিরে যেতে পারি।