শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়মুখী করতে গুরুত্বারোপ
জীবননগর অফিস:
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার কেডিকে ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী কাশীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়ন, নিয়মিত উপস্থিতি, শৃঙ্খলা ও অভিভাবকদের সঙ্গে বিদ্যালয়ের পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদারের লক্ষ্যে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় চত্বরে আয়োজিত এ সমাবেশে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
কাশীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেডিকে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও বিদ্যালয় পরিচালনা এডহক কমিটির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মনোয়ার হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি এবং কেডিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে দুইবার চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তানভীর হোসেন রাজীব। এছাড়া অভিভাবক সদস্য সোহাগ শাহ, শিক্ষক প্রতিনিধি কবির হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আব্দুস শুকুর ও শাহাদাৎ হোসেন শাহ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা, পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ বাড়ানো, নৈতিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনকে সুন্দর ও সফল করে তুলতে শিক্ষক-অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা বলেন, একটি শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাশাপাশি পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের আচার-আচরণ, নৈতিকতা, সময়ানুবর্তিতা ও সামাজিক মূল্যবোধের দিকেও অভিভাবকদের নিয়মিত নজর রাখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বাবলুসহ সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক এবং অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সেলিম রেজা। সমাবেশের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে পারস্পরিক মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।