জীবননগর অফিস:-
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-২ (জীবননগর-দামুড়হুদা) আসনে নির্বাচনী তৎপরতা জোরদার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এরই ধারাবাহিকতায় জীবননগর পৌর এলাকার গোপালনগরে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান বাবু খানের পক্ষে এক বিশাল উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকাল সাড়ে তিনটায় পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফা।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উক্ত ওয়ার্ডের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক আব্দুর রাজ্জাক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আশরাফুল হক (আশরাফ চেয়ারম্যান), পৌর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আতিয়ার রহমান, ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি ইলিয়াস হোসেন ও আহম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান, সাবেক নেতা আহম্মদ আলী ও পাংখী মিয়া, যুবদল নেতা ইয়াদুল ইসলাম এবং কৃষকদল নেতা মজনু রহমান বুল্লু।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা মইদুল ইসলাম, মুন্সী কিরন, সিরাজুল ইসলাম, জিয়া স্মৃতি পরিষদের নেতা এমআই আতিয়ার রহমান, ব্যবসায়ী মমিন উদ্দিন, গোলাম নবী, গোলাম রসুল, শাহীন হোসেন, ইকবাল হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বিপুল সংখ্যক নারী ভোটারের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উঠান বৈঠকটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় প্রয়োজন। তারা দাবি করেন, প্রার্থী মাহমুদ হাসান বাবু খান একজন সফল শিল্প উদ্যোক্তা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ব্যক্তি।

নির্বাচিত হলে তিনি এলাকায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি সাধনে ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল ধর্মীয় আবেগকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

উঠান বৈঠকে এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মতামত ও সমস্যার কথাও মনোযোগ দিয়ে শোনা হয়।
নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।