কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি খাবার হোটেলে এক নারী ও এক মাদ্রাসাশিক্ষককে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই নারীর নাম রুপালী খাতুন। তাঁর বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সেজিয়া নলবিলপাড়া গ্রামে। তাঁর স্বামী প্রবাসে থাকেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, ওই ব্যক্তির নাম হাবিবুল্লাহ। তাঁর বাড়ি মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলায় এবং তিনি পেশায় একজন মাদ্রাসাশিক্ষক।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁদের মধ্যে প্রায় দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। এ সময়ে তাঁরা একাধিকবার দেখা করেছেন এবং তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে বলে জানা গেছে।
সর্বশেষ হাবিবুল্লাহ কালীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি খাবার হোটেলে রুপালী খাতুনকে ডেকে আনেন। সেখানে রুপালী তাঁকে বিয়ের কথা বললে তিনি বিয়েতে অস্বীকৃতি জানান বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। তাঁদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয় লোকজন তাঁদের ঘিরে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তাঁদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।