চুয়াডাঙ্গায় “জুলাইয়ের মায়েরা” শীর্ষক অভিভাবক সমাবেশ ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও রেমিট্যান্স যোদ্ধা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

বিশেষ  প্রতিনিধি:-

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২ আগস্ট ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহাসিক ও আবেগঘন অনুষ্ঠান “জুলাইয়ের মায়েরা”

শীর্ষক অভিভাবক সমাবেশ ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী।

সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা

প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান” এর প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য ও শহিদদের

স্মরণে নির্মিত “Mothers of July”, **“জুলাই অনির্বাণ”**সহ একাধিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।

এতে উঠে আসে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ ও ঐতিহাসিক প্রতিরোধ আন্দোলনের বাস্তব চিত্র।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার জনাব খন্দকার গোলাম মওলা, বিপিএম-

সেবা, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জুলাই শহিদ ও আহত পরিবারের সদস্যরা,

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। এদিকে 

একই দিন “রেমিট্যান্স যোদ্ধা দিবস” উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা জেলা প্রশাসকের

কার্যালয়ের সাহিত্য মঞ্চে পালিত হয় “৩৩ জুলাই – রেমিট্যান্স যোদ্ধা দিবস”।

এ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম

ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার পাশাপাশি,

প্রবাসী শ্রমজীবী মানুষের অবদানকে সম্মান জানানোর লক্ষ্যেই এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভাটি যৌথ ভাবে আয়োজন করে,

 জেলা প্রশাসন ও  কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি), চুয়াডাঙ্গা, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, চুয়াডাঙ্গা

বক্তারা বলেন, “দেশের ইতিহাসে ২০২৪ সালের জুলাই মাস ছিল প্রতিবাদ, আত্মত্যাগ ও জাতীয়

চেতনার প্রতীক। আর প্রবাসী শ্রমিকরা দেশের

অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি তাঁদের স্বীকৃতি ও মর্যাদা দিতে হবে জাতীয়ভাবে।”

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের এমন যুগান্তকারী উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের

কাছে। প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন ও ঐতিহাসিক স্মৃতি চর্চার পাশাপাশি প্রবাসী জনগোষ্ঠীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন এই

দুই আয়োজনই ছিল সময়োপযোগী ও জন সম্পৃক্ততা মূলক।
জুলাইয়ের আন্দোলনের উত্তরসূরিদের চোখে জল আর শ্রদ্ধায় ভরা এই আয়োজনে আবারও প্রাণ পেল ইতিহাস।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *