লিখিত অভিযোগে আরো বলাহয়,অভিযুক্তরা লাঠিসোটা,লোহার রড,দা ও হাসুয়া নিয়ে বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।জমির উদ্দিনের বড় ভাই বিল্লাল হোসেন হামলা প্রতিহত করতে গেলে জুয়েল হোসেন লোহার রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এদিকে জমির উদ্দিনের স্ত্রী মাজেদা খাতুন স্বজনদের রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাকেও মারধরের শিকার হতে হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সোহেল হোসেন লোহার রড দিয়ে তার ডান হাতে আঘাত করলে হাত ভেঙে যায়। পরে মুনসুর আলী হাসুয়া দিয়ে কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে আত্মরক্ষার জন্য হাত বাড়িয়ে দিলে তার দুই হাতেই গুরুতর জখম হয়।
হামলার সময় জমির উদ্দিনের ছেলে মাজেদুলও আহত হন। তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয় এবং মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু শারীরিক হামলাই নয়,অভিযুক্তরা বাড়িঘরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে ভাঙচুর চালায় এবং বিভিন্ন আসবাবপত্রের ক্ষতি সাধন করে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে মুনসুর আলী বলেন,আমাদের জমি প্রতিবেশী বিল্লাল,জমির,মাজেদুল,মাজেদা খাতুন হৃদয়,মোশেদা খাতুন আমাদের ক্রয়খতৃত
জমি দখলে না দিয়ে জোর পুর্বক বেদখল করে আছে। সেই ঘটনার জের ধরে ঘটনার দিন বিকাল ৪ টার দিকে আমরা সবাই মাঠে ঘাটে কাজে ছিলাম। এ সুযোগে তারা আমার ছোট ভাই সোহেলকে বাড়ী থেকে ধরে নিয়ে তাদের বাড়ীতে তাকে হাত-পা বেঁধে মারপিট করে জখম করে। তারা আমার ভাইকে মধ্যযুগীয়া কায়দায় মারপিট করে মুখের ৬ টি দাঁত,বুকের হাড়,দুই পা ও ডানায় কোপ দিয়ে ভেঙ্গে মারাত্মক ভাবে জখম করে।
নির্যাতনের শিকার সোহেল বলে,আমি তাদের কাছে পানি খেতে চাইলে তারা
আমাকে পানি পর্যন্ত দেয়নি। তারা আমার সর্বশরীরে মারপিট করে আমাকে মারাত্মক ভাবে জখম করে। রায়পুর ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে পরে আমাকে উদ্ধার করে।

জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান শেখ বলেন,ঘটনার ব্যাপারে উভয়পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।