জীবননগর অফিস:
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় পৃথক দুটি স্থানে দু’টি ঘটনায় এক নারীসহ দুজনকে মারধর ও কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১অক্টোবর)উপজেলার কালা স্কুলপাড়া ও নতুনপাড়া গ্রামে এসব ঘটনা ঘটেছে।আহতরা জীবননগর হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহনের সুস্থ ও স্বাভাবিক আছে। প্রতিটি ঘটনায় থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের কালা গ্রামের দিনমজুর আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী তাসলিমা খাতুন(৪০) জানান,গ্রামের কানা পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে একই গ্রামের মহর আলীর ছেলে আব্দুস সামাদ(৩২) আনার হোসেনের ছেলে আসিফ হোসেনে (২৪) সাথে তাদের বিরোধের সৃষ্টি হয়।
এসময় কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা গৃহবধু তাসলিমা খাতুন ও তার ভাই আব্দুল হালিমকে বেধড়ক মারপিট করে ও কোপ দিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করে।এতে তাসলিমার মাথা ও চোয়াল মারাত্মক ভাবে জখম হয়।
অন্যদিকে, একই দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নতুনপাড়া এলাকায় কলম মিয়ার ছেলে মো. বাদশা মিয়া(৪০) জানান, একই গ্রামের রায়হা উদ্দিনের ছেলে রবিউল ইসলাম(৪৫)তার ভাইয়ের সাথে মারামারিতে লিপ্ত হয়।এ সময় বাদশা মিয়া রবিউল ইসলামকে বাঁধা দিলে রবিউল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে বাদশা মিয়াকে মারপিট ও কুপিয়ে
মারাত্মক ভাবে আহত করে।এই ঘটনায় রায়হান উদ্দিন তার ছেলে রবিউল ইসলামকে নিবৃত না করে তাকে আরো উসকিয়ে দেয় বলে জখমী বাদশা মিয়ার অভিযোগ।রবিউল ইসলামের আঘাতে বাদশা মিয়ার বাম হাতের কনিষ্ঠ মারাত্মক গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়।
বাদশা মিয়া আরো জানান,তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে না আসলে তাকে মেরে ফেলতো।উভয় ঘটনায় জখমীরা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ী ফিরে গেছে।
উভয় ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,দু’টি ঘটনায় অমানবিক হয়েছে।কারণ ঘটনাটি দু’টি খুবই স্বাভাবিক এবং তুচ্ছ।এমন ঘটনায় সংঘর্ষ সৃষ্টি হওয়ার কথা নয়।
জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান শেখ বলেন,পৃথক দু’টি ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। সবগুলি ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।