আবু সাইদ শওকত আলী,বিশেষ প্রতিনিধি:-
সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটি যখন বিছানায় মৃত্যুয ‘ন্ত্রণায় ছটফট করেন, তখন থমকে যায় পুরো একটি পরিবারের স্বপ্ন। ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার মামুনশিয়া গ্রামের কৃষক বিল্লাল হোসেনের জীবনে এখন সেই ঘোর অন্ধকার নেমে এসেছে। ৫২ বছর বয়সী এই লড়াকু মানুষের দুটি কিডনিই আজ অকেজো। অর্থাভাবে থমকে গেছে চিকিৎসা, আর প্রতিদিন একটু একটু করে নিভে যাচ্ছে একটি প্রাণের প্রদীপ।
উপজেলার কুশনা ইউনিয়নের মামুনশিয়া গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে বিল্লাল হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ দিনমজুর। রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে অন্যের জমিতে কাজ করে দুই ছেলে আর স্ত্রীকে নিয়ে সুখেই কাটছিল দিন। কিন্তু মাত্র আট মাস আগে ধরা পড়ে এক মরণব্যাধি। দুই কিডনি বিকল হওয়ার পাশাপাশি এখন ধীরে ধীরে তার ফুসফুসও অকেজো হতে শুরু করেছে। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শক্তি হারিয়ে বিল্লাল এখন শয্যাশায়ী।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে তাকে ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে। কিন্তু একজন নিঃস্ব কৃষকের পক্ষে এই ব্যয়ভার বহন করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিল্লাল হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন:
”আমার মাত্র ৫ শতক ভিটেবাড়ি ছাড়া আর কিছুই নেই। আমি আমার দুইটা সন্তানের জন্য বাঁচতে চাই। আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় হয়তো আমি আবার সুস্থ হয়ে কাজে ফিরতে পারব। দয়া করে আমাকে মরতে দেবেন না, আমাকে বাঁচান!”
বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী জানান,শেষ সম্বল বলতে যা ছিল—গরু, ছাগল ও জমানো সামান্য অর্থ—সবই স্বামীর চিকিৎসায় শেষ হয়ে গেছে। তিনি বলেন:
”একদিকে স্বামীর সেবা,অন্যদিকে সংসার ও সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেওয়া—আমি আর পারছি না। গ্রামবাসী এতদিন অনেক সাহায্য করেছেন, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী এই চিকিৎসার খরচ এখন আমাদের সাধ্যের বাইরে। সমাজের বিত্তবানরা কি আমার এতিম হতে যাওয়া সন্তানদের দিকে একটু তাকাবেন না?”
মামুনশিয়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, বিল্লাল একজন অত্যন্ত পরিশ্রমী ও ভালো মানুষ। এলাকাবাসী সাধ্যমতো পাশে দাঁড়ালেও কিডনি চিকিৎসার বিশাল খরচ মেটানো তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তারা মনে করেন, সরকার এবং দেশের সামর্থ্যবান মানুষ ও প্রবাসীরা যদি একটু সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, তবে বিল্লাল হোসেন আবারও ফিরে পেতে পারেন স্বাভাবিক জীবন।
সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা ও মাধ্যম:বিল্লাল হোসেনকে সাহায্য পাঠাতে সরাসরি নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনার সামান্য দান হয়তো একটি পরিবারের অন্ধকার মুছে দিতে পারে।
রোগীর নাম: বিল্লাল হোসেন
পিতার নাম: মৃত হাবিবুর রহমান
গ্রাম: মামুনশিয়া,থানা: কোটচাঁদপুর,জেলা: ঝিনাইদহ।
বিকাশ ও নগদ (পার্সোনাল): 01712-555246 অথবা 01945-953997