জীবননগর অফিস:
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে টেকসই ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক (CRN) অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও জিআইএস-ভিত্তিক তথ্য যাচাইকরণ বিষয়ক এক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (LGED) আয়োজনে এই কর্মশালা সম্পন্ন হয়।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে টেকসই ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক (CRN) অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও জিআইএস-ভিত্তিক তথ্য যাচাইকরণ বিষয়ক এক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (LGED) আয়োজনে এই কর্মশালা সম্পন্ন হয়।
কর্মশালায় উপজেলার সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্ব বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে ৭টি গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়ককে কোর রোড নেটওয়ার্কের আওতায় আনার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।
জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহিদুজ্জামান। উপজেলা প্রকৌশলী আল আমিনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় মূল আলোচক ছিলেন বেটসের জিআইএস স্পেশালিস্ট মো. কামরান। তিনি জিআইএস (GIS) প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রামীণ সড়ক নেটওয়ার্ক ম্যাপিং ও ডেটা যাচাইকরণের কারিগরি দিক তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহিদুজ্জামান বলেন, “গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং প্রান্তিক মানুষের কাছে নাগরিক সুবিধা পৌঁছে দিতে টেকসই সড়ক উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। জিআইএস-ভিত্তিক সঠিক মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে জীবননগরের গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ সড়কগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আধুনিকায়ন করা হবে।”
অনুষ্ঠানে গ্রামীণ সড়ক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন (জিআইএস-ভিত্তিক) আরসিআইপি প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জীবননগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার জুয়েল শেখ, উপজেলা কৃষি অফিসার আলমগীর হোসেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইসমাইল হোসেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শামছুল আরফিন ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সৈয়দ আব্দুল জব্বার।
এছাড়া স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ও মতামত তুলে ধরেন জীবননগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. রিপন হোসেন এবং সাংবাদিক এম আর বাবু। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উপজেলার গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।