জীবননগর অফিস:-
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে ভৈরব নদের ওপর নির্মিত ভেঙে পড়া
জরাজীর্ণ ব্রীজ ও শিংনগর বাওড়ের ভেঙে যাওয়া বাঁধ পরিদর্শন। করলেন উপজেলা নির্বাহী
অফিসার আল আমীন। ব্রীজটি হঠাৎ ভেঙে পড়ায়
এলাকাবাসীর যাতায়াত ও কৃষিকাজে মারাত্মক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার শিংনগর বাঁওড়ের বাঁধ ভেঙে প্রচুর পানি প্রবল স্রোতের সাথে ভৈরব
নদের দিকে প্রবাহিত হয়। এতে নদীর পানির তীব্র স্রোতের আঘাতে মনোহরপুর গ্রামের উপর দিয়ে যাওয়া পুরনো ব্রীজটি ভেঙে যায়।
ফলে মাঠের ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে এবং ভেসে গেছে জাগ দেয়া পাট।
কৃষকেরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এছাড়া গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় মাঠে যাতায়াতে বিপাকে পড়ছেন তারা।
এ পরিস্থিতিতে গ্রামবাসী দ্রুত নতুন ব্রীজ নির্মাণের দাবি জানালে মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল
৩টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আল আমীন।
পরিদর্শন শেষে ইউএনও মো. আল-আমীন হোসেন বলেন, “অতিবৃষ্টি ও সিংনগর বাঁওড়ের বাঁধ ভেঙে প্রবল স্রোতের কারণে পুরনো ও জরাজীর্ণ ব্রীজটি ভেঙে পড়েছে।
এর ফলে কৃষকদের একমাত্র যাতায়াতের পথ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দ্রুত বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত
করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ চলছে। মূলত :এই ব্রীজটি কেরু অ্যান্ড কোম্পানির
তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়েছিল। এজন্য কোম্পানির কর্মকর্তাদের সাথেও নতুন ব্রীজ নির্মাণের বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে।”
পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোর্শেদ বিল্লাহ প্রমুখ।
ভেঙে যাওয়া ব্রীজ দ্রুত সংস্কার বা নতুন ব্রীজ নির্মাণ না হলে কৃষি উৎপাদন ও গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘমেয়াদী সংকট তৈরি হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।