জীবননগর অফিস:-
‘মাদক ছাড়ো, খেলা ধরো’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর এলাকার যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে দূরে রাখা এবং তরুণদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন আগামী জীবননগর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী নেছার উদ্দিন টুটুল। এর অংশ হিসেবে স্থানীয় যুবকদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করেছেন তিনি।
তরুণ ও যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে সুস্থ, সুন্দর ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ উদ্যোগকে স্থানীয়রা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, খেলাধুলা তরুণদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ফুটবল বিতরণকালে নেছের উদ্দিন টুটুল বলেন, “আমাদের যুবসমাজই আগামীর ভবিষ্যৎ। তারা যেন কোনোভাবেই মাদকের অন্ধকারে হারিয়ে না যায়, বরং খেলার মাঠে সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তুলতে পারে—এটাই আমার লক্ষ্য। তরুণরা নেশা ছেড়ে মাঠে ফিরলে সমাজ আরও সুন্দর হবে এবং পরিবারগুলোতে শান্তি ফিরে আসবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমার বাবা যেভাবে জীবননগর পৌরসভার মানুষের পাশে থেকে সেবা করে গেছেন, আমিও তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে মানুষের পাশে থাকতে চাই। জীবননগর পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও মাদকমুক্ত মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে আমি কাজ করতে চাই। এ জন্য পৌরবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন কামনা করছি।”
নেছার উদ্দিন টুটুল জীবননগর পৌরসভার সাবেক দুইবারের মেয়র নোয়াব আলীর বড় ছেলে। বাবার জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও উন্নয়ন ভাবনাকে সামনে রেখে তিনি আগামী পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, খেলাধুলার উপকরণ পেলে তারা নিয়মিত মাঠে খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। ফুটবল বিতরণের এ উদ্যোগ তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
এ সময় স্থানীয় যুবসমাজের সদস্য ও সাধারণ মানুষ নেছার উদ্দিন টুটুলের ক্রীড়াবান্ধব ও সামাজিক উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তারা বলেন, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে স্থানীয় পর্যায়ে যুবসমাজের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত করা গেলে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব। জীবননগর পৌর এলাকায় এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।